• BIHANBELA বিহানবেলা

    আমাদের সমাজে নারীকে শক্তির রূপ মনে করেই তার পুজো হয়। পুরুষের মতোই নারীর রূপ ভিন্নভিন্ন, সময়ের রূপান্তরে সে কখনও কন্যা, কখনও ভগিনী, কখনও প্রেমিকা, বা কখনও ঘরণী। আর সময়ের এই পরিবর্তনের সাথে সাথে একজন নারীর অনুভূতিগুলোও পরিবর্তন হয়। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুভূতির সাক্ষী হয় বলেই একজন নারী দৃঢ়তার সাথে সংসারের বা সমাজের চালিকাশক্তি হয়ে তাকে আগলে রাখতে পারে। এই ইতিবাচক দিকটাই আমি আমার ‘বিহানবেলা’য় তুলে ধরতে চেয়েছি।

    ঘরেই মেয়ে উমাই আমাদের দুর্গা।

    260.00 182.00
  • DUI KRISHNA O EKTI MAHABHARAT দুই কৃষ্ণ ও একটি মহাভারত

    মহাভারত– যেখানে এসে মিলেছে এই ভারতভূমির সব পথ – ধর্ম, রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষানীতি, অর্থনীতি, মূল্যবোধ, নীতিজ্ঞান, জীবনদর্শন, প্রেম, অপ্রেম, বিষাদ, অসূয়া, শত্রুতা, প্রতিষ্ঠা সব-সব নিয়ে এ সর্বার্থেই মহাকাব্য। ভারতআত্মা ঘিরে বহুস্তরীয় এক বৃত্তাকার পরিভ্রমণ। যে বৃত্তের কেন্দ্রে রয়েছেন অখণ্ড ব্রহ্ম পুরুষোত্তম বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ আর প্রান্তসীমা বরাবর হেঁটে চলেছেন বহুদর্শী এই ভারতকথার কথক পরাশর ও সত্যবতীর পুত্র শ্রীকৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস। তাঁদের দুজনের যৌথ আয়োজনে রচিত হয়েছে অমৃতসমান জয়সংহিতা বা মহাভারত।

    260.00 182.00
  • CHARLS SOBHRAJ চার্লস শোভরাজ

    Charles Sobhraj- True story of a killer – এক অপরাধীর দীর্ঘ অপরাধযাত্রার দলিল। এই বইয়ে অপরাধকে কোনোভাবেই মহিমান্বিত করা হয়নি বরং দেখানো হয়েছে অপরাধের পরিণতি। পাঠক এই বই পড়ে বুঝতে পারবেন অপরাধের মনস্তত্ত্ব। একজন মানুষ কীভাবে নিজেকে মিথে রূপান্তরিত করে ফেলেছিল এই বই তার দলিল। এই বই সংবাদ শিরোনামের বাইরের এক অন্য শোভরাজকে চিনতে সাহায্য করে। এক আন্তর্জাতিক অপরাধীর অন্য জীবনের ইতিহাস এখানে প্রাধান্য পেয়েছে। বাস্তব কখনও কখনও যে কল্পনার থেকেও যে ভয়ংকর হয় শোভরাজ তার প্রমাণ।পাঠক এখানে বিচারক নয়, সাক্ষী

    610.00 427.00
  • SUKH-ASUKHER MANCHITRA সুখ- অসুখের মানচিত্র

    সব সুখ-ই কি উপভোগ্য? সমান রমণীয় বা কমনীয়? এমন অনেক সুখ আছে, যার বোঝা ঘাড় থেকে নামিয়ে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিয়ে বলে— সুখের চেয়ে স্বস্তি ভালো। তেমনি সুখের অভাব কি সবসময় দুঃখ কিংবা অসুখ?

    তাহলে ফুরিয়ে আসা দুঃখের দাগ পুষে মানুষ এত সুখ পায় কেন? ক্ষত সেরে এলে ব্যথা মরে যায়। আলতো হাত ছুঁয়ে দিলে একপ্রকার আরামই বোধ হয় তখন। অথবা একটা বুলেটের চিহ্ন—! অপরাধীর কাছে হেরে যাওয়ার দগদগে স্মৃতি কিন্ত যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফেরা সেনানায়কের বুকে গৌরবের নিশান।

    এই বইয়ের নাম হতেই পারত রং- বেরঙের বৃষ্টি অথবা রোদেলা মেঘের দিন। সুখ-দুঃখ, হর্ষ-বিষাদ, ভয়- রোম্যান্স ছোট খেয়াটিতে উঠেছে পরস্পরের গা ঘেঁষে। তারা যেন বলছে “মোরা যাত্রী একই তরণীর, সহযাত্রী একই তরণীর।” উদ্‌গ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে আলো ফোটার, নিজেদের প্রকাশ করার। শুধু সুখ-অসুখের এই মানচিত্রে, এক্স অক্ষরেখার কোথায় পাঠক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছেন— তার ওপরে নির্ভর করবে— বিম্বটি সদ না অসদ!

    320.00 224.00
  • DINANTER AALO দিনান্তের আলো

    ভালোবাসা থেকে দেওয়ার মানসিকতার জন্ম হয়। প্রকৃতিকে, অতীত প্রিয়জনকে, দূরের প্রিয়জনকে ভালোবেসে পার্থিব কিছু দেওয়া যায় না। দিয়ে মন ভরে না। সেখানে এমন কিছু দিতে হয় সে দেওয়া সব দেওয়ার ঊর্ধ্বে। সেইসব প্রিয়দের দেওয়ার কামনা থেকে ভালোবাসার আলোয় কিছু কবিতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানের দুঃখ, ব্যথা, খারাপ লাগা থেকে কিছু কবিতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতির কাছে নিজেকে দীন ভেবে কিছু কবিতা উপহার দিয়ে মন পূর্ণতায় ভরে গেছে। ছোটোবেলার স্কুল—স্মৃতির আবেগ, স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে, বেশ কিছু কবিতা স্বতঃস্ফূর্ত ঝরনার মতো ঝরেছে। সমাজের কোনও খারাপ দিক, মনের দ্বন্দ্ব ও সংঘাত নিয়ে আর কিছু কবিতা মন থেকে উঠে এসেছে। এইসব ভিন্নধর্মী কবিতা নিয়ে এই কবিতার বই প্রকাশিত হল।

    200.00 140.00
  • JA KICCHU AAJGUBI যা কিছু আজগুবি

    ‘যা কিছু আজগুবি’ কোনো সরল কাব্যসংকলন নয়।

    এটি খণ্ডিত অনুভূতি, অসংলগ্ন প্রশ্ন আর অসমাপ্ত চিন্তার এক সচেতন বিন্যাস।

    এই বইয়ে কবিতা কখনও যুক্তিপূর্ণ, কখনও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, ঠিক যেমন আমাদের সময়, আমাদের বেঁচে থাকা। এখানে অর্থ স্থির নয়, দৃষ্টিভঙ্গিই অর্থ নির্মাণ করে।

    একই কবিতা এক পাঠকের কাছে বিদ্রূপ, অন্য পাঠকের কাছে তা স্বীকারোক্তি।

    ‘যা কিছু আজগুবি’ পাঠককে নির্দিষ্ট পথে হাঁটতে বলে না।

    বরং বারবার দিগ্‌ভ্রান্ত করে। যেখানে বাস্তব আর কল্পনার সীমারেখা ঝাপসা, আর শব্দ নিজের অর্থ নিজেই অস্বীকার করে।

    এই কবিতাগুলো ব্যাখ্যার অপেক্ষায় নয়—এরা সাহচর্য চায়। এই বই উত্তর সরবরাহ করে না; প্রশ্নকে সচল রাখে। পাঠকের সঙ্গে সমঝোতা নয়, নিজের অবস্থান উন্মোচনের ঝুঁকি নেওয়াই এখানে পাঠের শর্ত।

    320.00 224.00
  • GAMBLING TOLI গ্যাম্বলিং-তলি

    বাবুইয়ের উল্টানো বোতলাকৃতি, বাসাখানার মতো

    বুনোন শেখার নিরন্তর এক বাসনায়, উল কাঁটার মতো

    নিজেকে নিয়ে বসে পড়ি, নিরেট তবু ফ্লেক্সিবল কাব্যিক বাসা বাঁধার সরগম সাধনায়। সেই অভ্যাস থেকেই, থেকে থেকে জন্ম নেয়, আমার ক্ষুদ্র বাসা কিংবা বোতল বিলাস, আর সেই উল্টানো বোতলের কোটর থেকে দেখি বাইরের দুনিয়াকে, একটু ওলট পালট করে সেইসব অতি পরিচিত দৃশ্যমালাই কেমন যেন লাগে,ভাগ করে নিতে চাই, আমার আত্মজনের সাথে। “বসুধৈব কুটম্বকম”।

    200.00 140.00
  • SHUNYER MINARE শূন্যের মিনারে

    অন্ধকার আর আলোর মাঝের নিঃশব্দ সিঁড়িঘরেই দাঁড়িয়ে আছে “শূণ্যের মিনারে”। এটি একটি কবিতা-সংগ্রহ যেখানে শূণ্যতা কেবল অনুপস্থিতির নয় বরং গভীর উপস্থিতির দরজা। প্রতিটি কবিতা এখানে নিজস্ব মিনার গড়ে- কখনো বা ঘন। স্বপ্ন, বিচ্ছেদ, স্মৃতি, আমাদের অন্তর্গত নীরবতা-

    সব মিলিয়ে এই বই পাঠককে নিয়ে যাবে এক অন্তর্মুখী যাত্রায়, যেখানে শব্দরা নিজেরাই জ্বালায় আলো।

    এই বই সেইসব পাঠকের জন্য, যারা শব্দে স্পর্শ খোঁজেন, নীরবতায় অর্থ আর শূন্যতার মাঝে চিনতে চান আলো।

    220.00 154.00
  • DIARY DAY’S ডায়েরি ডে’জ

    শব্দই ব্রহ্ম। নাকি স্বপ্ন! স্বপ্নের ভেতর ঘটে চলা অন্য ডায়মেনশন। অনেক প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে ফিরি আমাদের অগোছালো সময়ে। এ বই জুড়ে না-বলা কথার সারি। বাবা, মা, প্রেমিক, প্রেমিকা, অচেনা মানুষ, একটা চিলেকোঠাও প্রাণের বন্ধু হয়ে যায় এ জীবনে, একবারই। আমরা মুখচোরা মানুষেরা কেবল শব্দের বীজ বপন করি জোছনার খেতে। মনের ভেতর কথারা ফুটতে থাকে অনবরত। সে কথা সূর্যমুখী ফুল হয়ে উঠুক আমাদের জীবনে।

    এ বইয়ের পাতা ওলটালে কেবল শিশিরের মতো নরম অনুভূতি না-ও হতে পারে, তবু ভালো লাগা ছড়িয়ে দিতে চাই। যে চাওয়ার ভেতর কেবল একটা জীবন আলো হয়ে থাকবে শিউলির মতো।

    220.00 154.00
  • NAIRITER HAWA নৈর্ঋতের হাওয়া

    এ জীবন লেখে চলাচল—আসা আর যাওয়া, মনে থাকে শুধু ভালোবাসা, কথা আর গান গাওয়া। ফেলে আসা স্মৃতির দুপুর, একাকার আবেগী মন নামখানি বলে যায় আর বুকের গভীরে ওঠে এক শিহরন! কত বেলা গেল ঢলে সায়াহ্নের শান্ত, মায়াবী ডোরে, বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিত যৌবন কখন ডাকে সেই নাম ধরে। নির্জনে বসে দেখি সেই চমকপ্রদ কাহিনির চিত্রায়ণ আমি চলেছি রামধনু পথে, আলোয় মাখা এ কথন! জীবন এক অপূর্ব চালিকাশক্তি, যার সদাবহমান পথ সময়ের পাণ্ডুলিপিতে সংগ্রহ করে কাহিনির উপকরণ।

    তাইতো আপাত—সাধারণ ব্যক্তিজীবনের রোজনামচার খাতা কখন যেন জাদুমন্ত্রে রূপান্তরিত হয় এক অপ্রকাশিত রূপকথায়। ব্যক্তি তার চলমানতার পরিসরে খুঁজে নেয় গল্পের প্রয়োজনীয় উপাদান, যা কখনও ব্যক্তিজীবন, কখনও প্রকৃতির নয়নাভিরাম রূপ, কখনও সুখকর যাপন, কখনও—বা এক নেতিবাচক যাপনের বেড়াজাল—প্রতিকূলতা, বিপদ, চিরবিচ্ছেদ অথবা চিরবিরহের পথ ধরে চলতে থাকে।

    সংকলনটিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এমনই কিছু অণুগল্প এবং ছোটগল্প, যার মধ্যে নিহিত আছে মানবজীবনের বহমানতার বিভিন্ন রং—কোমল লেবুরঙা আলোয় ভরা শৈশব, সদাচঞ্চল মেয়েবেলার রামধনু রঙ, সদ্যতরুণীর আশমানি রঙা নিবিড় প্রেমের স্বপ্ন, কখনও—বা অসময়ে বয়ে আসা বানভাসি ভালোবাসার সবুজাভ হাতছানি। অন্যদিকে আছে প্রতিদিনের বাঁচার আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়িত করার চরম ব্যাকুলতা, যা বিপ্রতীপ স্পর্শক ছুঁয়ে প্রতিস্পর্ধার হাতছানিতে এগিয়ে চলে।

    260.00 182.00
  • HIYAR DOSH KAHAN হিয়ার দশ কাহন

    প্রত্যেকটি গল্প জীবন থেকে নেওয়া, চেনা কুশীলব, চেনা মঞ্চ, চেনা সব । কিন্তু সব চেনা বোধহয় চেনা হয় না। গল্পের মধ্যে অন্য গল্প লুকিয়ে থাকে, বাস্তব কখন অজান্তে পরাবাস্তব ছুঁয়ে বসে সে কথা গল্পের কুশীলবও জানেনা, হিয়া বলেছে সেই সব গল্প ।

    এই চেনা ছকের অচেনা অ-পরাবাস্তবে পাঠক পাঠিকাকে স্বাগতম। যে মানুষ বা ‘না মানুষকে’ আমরা চিনেও চিনি না, যে ঘটনা নিয়ত চোখের সামনে ঘটে চলেছে, এই বিচিত্র নাটমঞ্চে মানুষের অন্তরাত্মা নিজের অজান্তে যে অদ্ভুত গল্পগুলো লিখে চলেছে নিশ্বাস প্রশ্বাসে, মুহূর্তগুলোর ভাঁজে ভাঁজে, হিয়া সেই অসম্ভবের কল্পকথার গল্পকথাকে একান্ত যতনে তুলে এনেছে পাঠকের দরবারে, দশটি মননের সিলুয়েট দিয়ে সাজানো কোলাজে। তাই সেই সব গল্প শুরু করলে শেষ না দেখে থামা যাবে বলে মনে হয় না – এই ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ টুকু রইল পাঠক পাঠিকার জন্য হিয়ার তরফ থেকে !

    শেষ পাতা পড়েও যার রেশ থেকে যায়—এ এক অনুরণনময় গল্পসংকলন।

    300.00 210.00
  • SADA SWAPNO NEEL ANDHOKAAR সাদা স্বপ্ন নীল অন্ধকার

    এই উপন্যাসে রয়েছে এক ব্যর্থ ভীতু প্রেমিক। তার শান্ত প্রেমিকা। ভোরের আলোর মতো নিশ্চুপ মা। মন্দ্র বিষাদের মতো বাবা। এক ডেভিল- মে-কেয়ার ক্লাসমেট। এক সুযোগসন্ধানী রমণী। একজন হাসিমুখ কাকা। এরকমই কয়েকটি অতি সাধারণ চেনা- চেনা জীবন, যারা খানিক-খানিক একে অপরের সাথে জড়িয়ে। কিন্তু একদিন একসাথেই এদের এই সাধারণ জীবন বদলে যেতে শুরু করে। প্রায় সকলেরই সাথে ঘটতে শুরু করে একের পর এক একইরকম ঘটনা। আর সেসব ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন এক আশ্চর্য উদাসী মানুষ, যিনি সকলের মাঝে থাকলেও অন্য কেউ তাঁকে দেখতে পায় না। কারুবাসনা যাঁকে বোধহয় নষ্ট করে দিয়েছে অনেকটাই। কলকাতা শহরের ভুলে যাওয়া ট্রামলাইন বরাবর যিনি হেঁটে হেঁটে বহুদূর। কেউ তাঁকে জিজ্ঞেস করেনি কখনও, “এতদিন কোথায় ছিলেন?”

    240.00 168.00

Main Menu