• SADA SWAPNO NEEL ANDHOKAAR সাদা স্বপ্ন নীল অন্ধকার

    এই উপন্যাসে রয়েছে এক ব্যর্থ ভীতু প্রেমিক। তার শান্ত প্রেমিকা। ভোরের আলোর মতো নিশ্চুপ মা। মন্দ্র বিষাদের মতো বাবা। এক ডেভিল- মে-কেয়ার ক্লাসমেট। এক সুযোগসন্ধানী রমণী। একজন হাসিমুখ কাকা। এরকমই কয়েকটি অতি সাধারণ চেনা- চেনা জীবন, যারা খানিক-খানিক একে অপরের সাথে জড়িয়ে। কিন্তু একদিন একসাথেই এদের এই সাধারণ জীবন বদলে যেতে শুরু করে। প্রায় সকলেরই সাথে ঘটতে শুরু করে একের পর এক একইরকম ঘটনা। আর সেসব ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন এক আশ্চর্য উদাসী মানুষ, যিনি সকলের মাঝে থাকলেও অন্য কেউ তাঁকে দেখতে পায় না। কারুবাসনা যাঁকে বোধহয় নষ্ট করে দিয়েছে অনেকটাই। কলকাতা শহরের ভুলে যাওয়া ট্রামলাইন বরাবর যিনি হেঁটে হেঁটে বহুদূর। কেউ তাঁকে জিজ্ঞেস করেনি কখনও, “এতদিন কোথায় ছিলেন?”

    192.00240.00
  • NAIRITER HAWA নৈর্ঋতের হাওয়া

    এ জীবন লেখে চলাচল—আসা আর যাওয়া, মনে থাকে শুধু ভালোবাসা, কথা আর গান গাওয়া। ফেলে আসা স্মৃতির দুপুর, একাকার আবেগী মন নামখানি বলে যায় আর বুকের গভীরে ওঠে এক শিহরন! কত বেলা গেল ঢলে সায়াহ্নের শান্ত, মায়াবী ডোরে, বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিত যৌবন কখন ডাকে সেই নাম ধরে। নির্জনে বসে দেখি সেই চমকপ্রদ কাহিনির চিত্রায়ণ আমি চলেছি রামধনু পথে, আলোয় মাখা এ কথন! জীবন এক অপূর্ব চালিকাশক্তি, যার সদাবহমান পথ সময়ের পাণ্ডুলিপিতে সংগ্রহ করে কাহিনির উপকরণ।

    তাইতো আপাত—সাধারণ ব্যক্তিজীবনের রোজনামচার খাতা কখন যেন জাদুমন্ত্রে রূপান্তরিত হয় এক অপ্রকাশিত রূপকথায়। ব্যক্তি তার চলমানতার পরিসরে খুঁজে নেয় গল্পের প্রয়োজনীয় উপাদান, যা কখনও ব্যক্তিজীবন, কখনও প্রকৃতির নয়নাভিরাম রূপ, কখনও সুখকর যাপন, কখনও—বা এক নেতিবাচক যাপনের বেড়াজাল—প্রতিকূলতা, বিপদ, চিরবিচ্ছেদ অথবা চিরবিরহের পথ ধরে চলতে থাকে।

    সংকলনটিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এমনই কিছু অণুগল্প এবং ছোটগল্প, যার মধ্যে নিহিত আছে মানবজীবনের বহমানতার বিভিন্ন রং—কোমল লেবুরঙা আলোয় ভরা শৈশব, সদাচঞ্চল মেয়েবেলার রামধনু রঙ, সদ্যতরুণীর আশমানি রঙা নিবিড় প্রেমের স্বপ্ন, কখনও—বা অসময়ে বয়ে আসা বানভাসি ভালোবাসার সবুজাভ হাতছানি। অন্যদিকে আছে প্রতিদিনের বাঁচার আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়িত করার চরম ব্যাকুলতা, যা বিপ্রতীপ স্পর্শক ছুঁয়ে প্রতিস্পর্ধার হাতছানিতে এগিয়ে চলে।

    208.00260.00
  • DUI KRISHNA O EKTI MAHABHARAT দুই কৃষ্ণ ও একটি মহাভারত

    মহাভারত– যেখানে এসে মিলেছে এই ভারতভূমির সব পথ – ধর্ম, রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষানীতি, অর্থনীতি, মূল্যবোধ, নীতিজ্ঞান, জীবনদর্শন, প্রেম, অপ্রেম, বিষাদ, অসূয়া, শত্রুতা, প্রতিষ্ঠা সব-সব নিয়ে এ সর্বার্থেই মহাকাব্য। ভারতআত্মা ঘিরে বহুস্তরীয় এক বৃত্তাকার পরিভ্রমণ। যে বৃত্তের কেন্দ্রে রয়েছেন অখণ্ড ব্রহ্ম পুরুষোত্তম বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ আর প্রান্তসীমা বরাবর হেঁটে চলেছেন বহুদর্শী এই ভারতকথার কথক পরাশর ও সত্যবতীর পুত্র শ্রীকৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস। তাঁদের দুজনের যৌথ আয়োজনে রচিত হয়েছে অমৃতসমান জয়সংহিতা বা মহাভারত।

    208.00260.00
  • BIHANBELA বিহানবেলা

    আমাদের সমাজে নারীকে শক্তির রূপ মনে করেই তার পুজো হয়। পুরুষের মতোই নারীর রূপ ভিন্নভিন্ন, সময়ের রূপান্তরে সে কখনও কন্যা, কখনও ভগিনী, কখনও প্রেমিকা, বা কখনও ঘরণী। আর সময়ের এই পরিবর্তনের সাথে সাথে একজন নারীর অনুভূতিগুলোও পরিবর্তন হয়। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুভূতির সাক্ষী হয় বলেই একজন নারী দৃঢ়তার সাথে সংসারের বা সমাজের চালিকাশক্তি হয়ে তাকে আগলে রাখতে পারে। এই ইতিবাচক দিকটাই আমি আমার ‘বিহানবেলা’য় তুলে ধরতে চেয়েছি।

    ঘরেই মেয়ে উমাই আমাদের দুর্গা।

    208.00260.00
  • অবিনাশ ABINASH

    অবিনাশ যার কোন বিনাশ নাই। বলেছিলেন অবিনাশেরই স্কুলের কোন এক শিক্ষক।

    মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছা প্রবল। সে ধনী আর বিত্তবানই হোক আর সহায় সম্বলহীন দরিদ্রই হোক। অতিমাত্রায় বিধ্বস্ত না হলে কোন মানুষই এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে অকালে চলে যেতে চায় না।

    রঙ মেখে নিজের খারাপ দিকটা আড়াল করার চেষ্টা করে যায়। অবিনাশের উপলব্ধি প্রতিটি মানুষের ভিতরই দুটো রঙ থাকে। সাদা আর কালো। যেখানে সাদার আধিক্য সেখানে সামাজিক জীবন যুগের হয়। যেখানে কালো রঙের প্রাবল্য সেই সমাজে হিংসা, রেষারেষি। আরও অনেক কিছু যেটা নাকি মানুষের স্বাভাবিক আর সুস্থভাবে বেঁচে থাকার ইন্ধন যোগায় না। অসামাজিক পরিবেশের জন্ম দেয়। সমাজে অসামাজিক কাজের পরিবেশ আমরাই গড়তে সাহায্য করি। শুধু নিজের সুখ আর নিজের স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। ডুবে যায় সুস্থ সামাজিকতা। অবিনাশের উপলব্ধি এইটাই।

    208.00260.00

    অবিনাশ ABINASH

    208.00260.00
  • OSTOBELAR SWARALIPI অস্তবেলার স্বরলিপি

    01

    সব কথা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও নিজের সাথে নিজের কিছু কথা বাকি পড়ে থাকে। দর্পণের ধুলো মুছলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে একটা পুরানো নদী,  একটা প্রাচীন শহর আর অনেকগুলো একাকী পথের কথকতা। সেই কথাগুলোই কখন যেন কবিতা হয়ে লিপিবদ্ধ হওয়ার দাবি জানায়। বেলাশেষের বেলায় অস্তবেলার স্বরলিপি তৈরি হয় সেই না—বলা কথার দর্শন, প্রেম, বিরহ, অভিমান, নিঃসঙ্গতা আর বিহ্বলতা নিয়ে।

    224.00280.00
  • PORI MORA NODEE পরি মরা নদী

    01

    অবদমিত কাম নিয়ে চর্চা হয়। কিন্তু অবদমিত প্রেম নিয়ে কথা হয় না। ভালোবাসার কথা গল্পের মতো করে  শোনানোর মানুষ খুঁজে যাওয়াই প্রেম। সেই মানুষ খুঁজে না পেলে গোপন ভালোবাসা অবদমিত প্রেম হয়ে থেকে যায় অজান্তে…

    অবদমিত প্রেমের রূপ ও শরীর নিয়ে কয়েকটি গল্প দু-মলাটে।

    224.00280.00
  • চতুরঙ্গ CHOTURANGA

    চারটি জঁরের চারটি পৃথক স্বাদের কাহিনী নিয়ে ‘চতুরঙ্গ’, এই সংকলনের চারটি কাহিনী হল – চতুরঙ্গ, পূর্ণ বৃত্ত, তিন তিরিক্ষে নয় এবং দুই কন্যার কাহিনী। ‘চতুরঙ্গ’ একটি থ্রিলার ছোটগল্প, ‘পূর্ণ বৃত্ত’ একটি অলৌকিক বড়গল্প, ‘তিন তিরিক্ষে নয়’ কলকাতাকে সাক্ষী রেখে ঘটা তিন যুগের তিনটে পৃথক ঘটনার একসূত্রে গাঁথা পড়ার কাহিনী আর ‘দুই কন্যার কাহিনী’ একটি রহস্য উপন্যাসিকা, মনুষ্যত্বের অদ্ভুত অধঃপতন কিভাবে অপরাধীদের জন্ম দেয় উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যেও সেটাই খুঁজে পাওয়ার কাহিনী।

     

    224.00280.00

Main Menu