• বিষাদ রঙের কাগজফুল ইত্যাদি BISHAD RONGER KAGOJPHOOL ITYADI

    রোদ ঝিকিমিকি একটা দিন অথবা চরাচর ভেসে যাওয়া চাঁদের আলো— এমতাবস্থায় বিষাদগ্রস্ত মন সম্ভবত খুব বেমানান। কিন্তু বিষাদ কি জানে, পৃথিবীর কোনপ্রান্তে, কখন কার মনের ভেতর মুহুর্তে উথালপাথাল হয়ে যাবে সব? জানেনা বোধ করি। তেমনই জানেনা মানুষের মনে কাগজফুলের রঙের মতো অত্যাশ্চর্য সুন্দরকে বিষাদের দোসর ভাবার ইচ্ছে কলকাঠি নাড়ে যেকোনো শর্তে।
    বিষাদের ধুলো-ধোঁয়া-কুয়াশার পরত সরিয়ে জানলা দিয়ে বেয়ে আসে কাগজফুলের ডাল। সেই ‘যেকোনো’ সময়কে আমরা একটি মুহুর্ত হিসেবে মনে রাখতে চাই, লিখে ফেলতে চাই সেই ক্ষণটুকুর ঐশ্বরিক অস্তিত্ব, আমাদের মনের ভেতরের ঝড় থেকে নিশ্চুপ চেয়ে থাকা— অমরত্ব দিতে চাই এই প্রত্যেকটি ঘটনাকে। এই চাওয়া থেকে জন্ম হয় একটি কবিতার, অথবা এই ইচ্ছেগুলোই একটা কবিতার ক্রমাঙ্ক অনুসরণ করে আলোর মতো। বিষাদ আমাদের কাছে হয়ে ওঠে আলোর কাঠি, সয়ে নিই, অভ্যাসে রেখে দিই… এবং একসময় বুঝে যাই বিষাদের আঁধার সত্যিই কাগজফুলের রঙের মতোই উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। এটুকুই।

    160.00200.00
  • DIARY DAY’S ডায়েরি ডে’জ

    শব্দই ব্রহ্ম। নাকি স্বপ্ন! স্বপ্নের ভেতর ঘটে চলা অন্য ডায়মেনশন। অনেক প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে ফিরি আমাদের অগোছালো সময়ে। এ বই জুড়ে না-বলা কথার সারি। বাবা, মা, প্রেমিক, প্রেমিকা, অচেনা মানুষ, একটা চিলেকোঠাও প্রাণের বন্ধু হয়ে যায় এ জীবনে, একবারই। আমরা মুখচোরা মানুষেরা কেবল শব্দের বীজ বপন করি জোছনার খেতে। মনের ভেতর কথারা ফুটতে থাকে অনবরত। সে কথা সূর্যমুখী ফুল হয়ে উঠুক আমাদের জীবনে।

    এ বইয়ের পাতা ওলটালে কেবল শিশিরের মতো নরম অনুভূতি না-ও হতে পারে, তবু ভালো লাগা ছড়িয়ে দিতে চাই। যে চাওয়ার ভেতর কেবল একটা জীবন আলো হয়ে থাকবে শিউলির মতো।

    176.00220.00
  • SHUNYER MINARE শূন্যের মিনারে

    অন্ধকার আর আলোর মাঝের নিঃশব্দ সিঁড়িঘরেই দাঁড়িয়ে আছে “শূণ্যের মিনারে”। এটি একটি কবিতা-সংগ্রহ যেখানে শূণ্যতা কেবল অনুপস্থিতির নয় বরং গভীর উপস্থিতির দরজা। প্রতিটি কবিতা এখানে নিজস্ব মিনার গড়ে- কখনো বা ঘন। স্বপ্ন, বিচ্ছেদ, স্মৃতি, আমাদের অন্তর্গত নীরবতা-

    সব মিলিয়ে এই বই পাঠককে নিয়ে যাবে এক অন্তর্মুখী যাত্রায়, যেখানে শব্দরা নিজেরাই জ্বালায় আলো।

    এই বই সেইসব পাঠকের জন্য, যারা শব্দে স্পর্শ খোঁজেন, নীরবতায় অর্থ আর শূন্যতার মাঝে চিনতে চান আলো।

    176.00220.00
  • থ্রিলিং থ্রি THRILLING THREE

    সম্পত্তি পেতে গিয়ে অন্য জগতে ঢুকে পড়ে অনাথ আশ্রম থেকে বড় হওয়া আন্দ্রেয়াকি। ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের অরিন্দমের সঙ্গে অতিন্দ্রীয় জগতের সম্পর্কই বা কী? স্লাভ ম্যাসিডোনীয় সাম্রাজ্যে খোদ গ্রিসের বুকে কীভাবে টাইমস্কেলের এক আজব জগতে ঢুকে পরাবাস্তবের আত্মাদের প্রত্যক্ষ করে ওরা আর সল্‌ভ করে মার্ডার মিষ্ট্রি।

    আফগানিস্তানের মিউজিয়ামের ৭৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের বাদখশানের আসল লাপিজ লাজুলির আর্টিফ্যাক্ট পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারবে শিবম আর শ্রেয়ান?

    দৌড়োতে দৌড়োতে ঝিল্লি পেছনে ফিরে ফিরে দেখছিল বারবার। লোকটা তাড়া করে আসছে, ঝিল্লি বুঝতে পারল আর বেশিক্ষণ ও পারবে না খালি পায়ে দৌড়োতে, লোকটা ধেয়ে আসছে তীব্র বেগে, এসে গেছে লোকটা প্রায় নাগালের মধ্যেই, জ্যাকেটের ভেতরের পকেট থেকে তুলে নিয়ে এল চিলি স্প্রে—টা’। ঝিল্লি কি পারবে গৌড়েশ্বরের হেঁয়ালি ভেদ করে গুপ্তধন খুঁজে বের করতে?

     

    176.00220.00
  • সাক্ষ্য দেওয়ার আগে SAKKHO DEOWAR AAGE

    কবিরা আসলে কে? তারা যখন কবিতা লেখে তখন কি আসলে জনতার আদালতে দাঁড়ায়? হাজার হাজার চেনা-অচেনা মুখের সামনে দাঁড়িয়ে সত্য কথা বলাই কি তার কর্তব্য? সে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সাক্ষী। সে যা দেখেছে, যা শুনেছে তা বিবৃত করবে। সত্যকে মেলে ধরবে, যে সত্যকে আমরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে এড়িয়ে যেতে চাই একটুখানি সুখের জন্য। কিন্তু সত্য, তা সে যতই তীব্র হোক, যতই বিস্বাদ হোক, আমাদের পিছু ছাড়ে না। আমরা সত্যকে অস্বীকার করতে পারি, কিন্তু ত্যাগ করতে পারি না। এই অমোঘ জাল থেকে জীবদ্দশায় মুক্তির কোনো পথ নেই। We have to accept and deal with the Truth. At least to breathe and survive. কিন্তু কীভাবে? তাকে সম্যক জানার মাধ্যমে, চেনার মধ্য দিয়ে। সেই চেষ্টাই করেছি মাত্র এই বইটিতে। পাঁচটা মাত্র লাইন। কিন্তু সেই পাঁচটা লাইনই একটা আয়নার মতো আমাদের সামনে। আমরা কি চিনতে পারব সেই অন্তর্নিহিত, চিরন্তন সত্যকে, যাতে জীবনটা একটুখানি সহজ হয়?

    176.00220.00
  • BOSONTO O BOUDHYAGAAN বসন্ত ও বৌদ্ধগান

    আমরা আসলে সবাই জানি, পরম করুণাময় বলে কেউ কোথাও আমাদের জন্য বসে নেই। তবু, তাঁর প্রতি আমাদের কী অমোঘ টান! এই টান থেকেই জন্মেছে আখ্যান৷ সৃষ্টি হয়েছে কবিতার। এবং এই টান থেকেই কখনো-কখনো তরুণ কবিরা তাঁকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসেন। তারা বলেন, উচ্চারণ করেন– ‘দয়াময় শুনুন, আমরা আপনার চেয়ে অনেক বেশি রোমান্টিক।’
    হ্যাঁ এমন সপাট একটি বাক্য অনায়াসে লিখে ফেলেছেন তরুণতম কবি অর্ঘ্যজ্যোতি দত্ত। ‘বসন্ত ও বৌদ্ধগান’ তাঁর প্রথম কবিতার বই। আর তাতেই রয়েছে এমনই সব অত্যুজ্জ্বল পঙ্‌ক্তি।
    ইতিহাস চেতনা, সাহিত্যের বোধ, ছন্দজ্ঞান, রসজ্ঞ মনন ও রাজনৈতিক দর্শন না-থাকলে কবি হওয়া দুষ্কর। অর্ঘ্যজ্যোতি দত্ত কিন্তু তা অর্জন করে ফেলেছেন তাঁর এই সামান্য জীবনেই। এবং সবচেয়ে মজার ব্যাপার, লুইপাদ থেকে রবীন্দ্রনাথ, অনায়াসে তিনি বিচরণ করেন সাবলীল স্পর্ধায়। যখন অর্ঘ্যজ্যোতি লেখেন ‘বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান/ সবার উপরে সাবান সত্য! তাহার উপরে স্নান!’ তখন আমরা নিশ্চিন্ত হয়ে যাই, ভাষার খেলায় এবং লিটারারি সেন্সে, অর্ঘ্যজ্যোতিকে অস্বীকার কিছুতেই করা সম্ভব না।
    বাংলা বর্ণমালায় ৫২টি বর্ণ রয়েছে। বৎসরও নির্ধারিত হয় ৫২ সপ্তাহে৷ এবার আপনি, বসন্তের আবহে গাওয়া এই গ্রন্থেও ৫২টি বৌদ্ধগানে মনোনিবেশ করুন। আমরা নিশ্চিত, আপনি পরিশুদ্ধ হবেন। হবেনই।
    –রঙ্গন রায়
    176.00220.00
  • JOLSOI

    • Author: D. Amitabh
    • Cover Designer: Nachiketa Mahata
    184.00230.00

    JOLSOI

    184.00230.00

Main Menu