• SHUNYER MINARE শূন্যের মিনারে

    অন্ধকার আর আলোর মাঝের নিঃশব্দ সিঁড়িঘরেই দাঁড়িয়ে আছে “শূণ্যের মিনারে”। এটি একটি কবিতা-সংগ্রহ যেখানে শূণ্যতা কেবল অনুপস্থিতির নয় বরং গভীর উপস্থিতির দরজা। প্রতিটি কবিতা এখানে নিজস্ব মিনার গড়ে- কখনো বা ঘন। স্বপ্ন, বিচ্ছেদ, স্মৃতি, আমাদের অন্তর্গত নীরবতা-

    সব মিলিয়ে এই বই পাঠককে নিয়ে যাবে এক অন্তর্মুখী যাত্রায়, যেখানে শব্দরা নিজেরাই জ্বালায় আলো।

    এই বই সেইসব পাঠকের জন্য, যারা শব্দে স্পর্শ খোঁজেন, নীরবতায় অর্থ আর শূন্যতার মাঝে চিনতে চান আলো।

    176.00220.00
  • DIARY DAY’S ডায়েরি ডে’জ

    শব্দই ব্রহ্ম। নাকি স্বপ্ন! স্বপ্নের ভেতর ঘটে চলা অন্য ডায়মেনশন। অনেক প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে ফিরি আমাদের অগোছালো সময়ে। এ বই জুড়ে না-বলা কথার সারি। বাবা, মা, প্রেমিক, প্রেমিকা, অচেনা মানুষ, একটা চিলেকোঠাও প্রাণের বন্ধু হয়ে যায় এ জীবনে, একবারই। আমরা মুখচোরা মানুষেরা কেবল শব্দের বীজ বপন করি জোছনার খেতে। মনের ভেতর কথারা ফুটতে থাকে অনবরত। সে কথা সূর্যমুখী ফুল হয়ে উঠুক আমাদের জীবনে।

    এ বইয়ের পাতা ওলটালে কেবল শিশিরের মতো নরম অনুভূতি না-ও হতে পারে, তবু ভালো লাগা ছড়িয়ে দিতে চাই। যে চাওয়ার ভেতর কেবল একটা জীবন আলো হয়ে থাকবে শিউলির মতো।

    176.00220.00
  • OSTOBELAR SWARALIPI অস্তবেলার স্বরলিপি

    01

    সব কথা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও নিজের সাথে নিজের কিছু কথা বাকি পড়ে থাকে। দর্পণের ধুলো মুছলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে একটা পুরানো নদী,  একটা প্রাচীন শহর আর অনেকগুলো একাকী পথের কথকতা। সেই কথাগুলোই কখন যেন কবিতা হয়ে লিপিবদ্ধ হওয়ার দাবি জানায়। বেলাশেষের বেলায় অস্তবেলার স্বরলিপি তৈরি হয় সেই না—বলা কথার দর্শন, প্রেম, বিরহ, অভিমান, নিঃসঙ্গতা আর বিহ্বলতা নিয়ে।

    224.00280.00
  • NAIRITER HAWA নৈর্ঋতের হাওয়া

    এ জীবন লেখে চলাচল—আসা আর যাওয়া, মনে থাকে শুধু ভালোবাসা, কথা আর গান গাওয়া। ফেলে আসা স্মৃতির দুপুর, একাকার আবেগী মন নামখানি বলে যায় আর বুকের গভীরে ওঠে এক শিহরন! কত বেলা গেল ঢলে সায়াহ্নের শান্ত, মায়াবী ডোরে, বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিত যৌবন কখন ডাকে সেই নাম ধরে। নির্জনে বসে দেখি সেই চমকপ্রদ কাহিনির চিত্রায়ণ আমি চলেছি রামধনু পথে, আলোয় মাখা এ কথন! জীবন এক অপূর্ব চালিকাশক্তি, যার সদাবহমান পথ সময়ের পাণ্ডুলিপিতে সংগ্রহ করে কাহিনির উপকরণ।

    তাইতো আপাত—সাধারণ ব্যক্তিজীবনের রোজনামচার খাতা কখন যেন জাদুমন্ত্রে রূপান্তরিত হয় এক অপ্রকাশিত রূপকথায়। ব্যক্তি তার চলমানতার পরিসরে খুঁজে নেয় গল্পের প্রয়োজনীয় উপাদান, যা কখনও ব্যক্তিজীবন, কখনও প্রকৃতির নয়নাভিরাম রূপ, কখনও সুখকর যাপন, কখনও—বা এক নেতিবাচক যাপনের বেড়াজাল—প্রতিকূলতা, বিপদ, চিরবিচ্ছেদ অথবা চিরবিরহের পথ ধরে চলতে থাকে।

    সংকলনটিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এমনই কিছু অণুগল্প এবং ছোটগল্প, যার মধ্যে নিহিত আছে মানবজীবনের বহমানতার বিভিন্ন রং—কোমল লেবুরঙা আলোয় ভরা শৈশব, সদাচঞ্চল মেয়েবেলার রামধনু রঙ, সদ্যতরুণীর আশমানি রঙা নিবিড় প্রেমের স্বপ্ন, কখনও—বা অসময়ে বয়ে আসা বানভাসি ভালোবাসার সবুজাভ হাতছানি। অন্যদিকে আছে প্রতিদিনের বাঁচার আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়িত করার চরম ব্যাকুলতা, যা বিপ্রতীপ স্পর্শক ছুঁয়ে প্রতিস্পর্ধার হাতছানিতে এগিয়ে চলে।

    208.00260.00
  • HIYAR DOSH KAHAN হিয়ার দশ কাহন

    প্রত্যেকটি গল্প জীবন থেকে নেওয়া, চেনা কুশীলব, চেনা মঞ্চ, চেনা সব । কিন্তু সব চেনা বোধহয় চেনা হয় না। গল্পের মধ্যে অন্য গল্প লুকিয়ে থাকে, বাস্তব কখন অজান্তে পরাবাস্তব ছুঁয়ে বসে সে কথা গল্পের কুশীলবও জানেনা, হিয়া বলেছে সেই সব গল্প ।

    এই চেনা ছকের অচেনা অ-পরাবাস্তবে পাঠক পাঠিকাকে স্বাগতম। যে মানুষ বা ‘না মানুষকে’ আমরা চিনেও চিনি না, যে ঘটনা নিয়ত চোখের সামনে ঘটে চলেছে, এই বিচিত্র নাটমঞ্চে মানুষের অন্তরাত্মা নিজের অজান্তে যে অদ্ভুত গল্পগুলো লিখে চলেছে নিশ্বাস প্রশ্বাসে, মুহূর্তগুলোর ভাঁজে ভাঁজে, হিয়া সেই অসম্ভবের কল্পকথার গল্পকথাকে একান্ত যতনে তুলে এনেছে পাঠকের দরবারে, দশটি মননের সিলুয়েট দিয়ে সাজানো কোলাজে। তাই সেই সব গল্প শুরু করলে শেষ না দেখে থামা যাবে বলে মনে হয় না – এই ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ টুকু রইল পাঠক পাঠিকার জন্য হিয়ার তরফ থেকে !

    শেষ পাতা পড়েও যার রেশ থেকে যায়—এ এক অনুরণনময় গল্পসংকলন।

    240.00300.00
  • SADA SWAPNO NEEL ANDHOKAAR সাদা স্বপ্ন নীল অন্ধকার

    এই উপন্যাসে রয়েছে এক ব্যর্থ ভীতু প্রেমিক। তার শান্ত প্রেমিকা। ভোরের আলোর মতো নিশ্চুপ মা। মন্দ্র বিষাদের মতো বাবা। এক ডেভিল- মে-কেয়ার ক্লাসমেট। এক সুযোগসন্ধানী রমণী। একজন হাসিমুখ কাকা। এরকমই কয়েকটি অতি সাধারণ চেনা- চেনা জীবন, যারা খানিক-খানিক একে অপরের সাথে জড়িয়ে। কিন্তু একদিন একসাথেই এদের এই সাধারণ জীবন বদলে যেতে শুরু করে। প্রায় সকলেরই সাথে ঘটতে শুরু করে একের পর এক একইরকম ঘটনা। আর সেসব ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন এক আশ্চর্য উদাসী মানুষ, যিনি সকলের মাঝে থাকলেও অন্য কেউ তাঁকে দেখতে পায় না। কারুবাসনা যাঁকে বোধহয় নষ্ট করে দিয়েছে অনেকটাই। কলকাতা শহরের ভুলে যাওয়া ট্রামলাইন বরাবর যিনি হেঁটে হেঁটে বহুদূর। কেউ তাঁকে জিজ্ঞেস করেনি কখনও, “এতদিন কোথায় ছিলেন?”

    192.00240.00

Main Menu