• চতুরঙ্গ CHOTURANGA

    চারটি জঁরের চারটি পৃথক স্বাদের কাহিনী নিয়ে ‘চতুরঙ্গ’, এই সংকলনের চারটি কাহিনী হল – চতুরঙ্গ, পূর্ণ বৃত্ত, তিন তিরিক্ষে নয় এবং দুই কন্যার কাহিনী। ‘চতুরঙ্গ’ একটি থ্রিলার ছোটগল্প, ‘পূর্ণ বৃত্ত’ একটি অলৌকিক বড়গল্প, ‘তিন তিরিক্ষে নয়’ কলকাতাকে সাক্ষী রেখে ঘটা তিন যুগের তিনটে পৃথক ঘটনার একসূত্রে গাঁথা পড়ার কাহিনী আর ‘দুই কন্যার কাহিনী’ একটি রহস্য উপন্যাসিকা, মনুষ্যত্বের অদ্ভুত অধঃপতন কিভাবে অপরাধীদের জন্ম দেয় উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যেও সেটাই খুঁজে পাওয়ার কাহিনী।

     

    224.00280.00
  • BHRAM NOY ভ্রম নয়

    যদি ‘ভ্রম’-এর প্রথম সংকলন আপনাকে প্রশ্ন করে থাকে- ‘ভয় কি কেবলই মনের ভুল? ভূত বলে কী কিছুই নেই?’ তবে ‘ভ্রম ২’ সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে এক নতুন, ভয়ঙ্কর বাস্তবতার জগতে।

    জীবনে ভয় চেখে দেখার মতো বিরল সুযোগ খুব কমবারই আসে, আর যখন সেই সুযোগ আসে কোনো অতিপ্রাকৃতিক উৎস থেকে, তখন কপালের ভাঁজ প্রশস্ত করে, চোখের পলকে বয়স বাড়িয়ে দেয়। তার পরের প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে ওঠে অসহনীয়; স্বপ্নে ভেসে আসে কঠিন কিছু দৃশ্য, যার নিবারণ অসম্ভব, যার কোনো ওষুধ নেই।

    এই সংকলনে আছে ন’টি (৯টি) গা ছমছমে মনস্তাত্বিক ভয়ের গল্প, যা শুধুই ভূত-প্রেতের কাহিনি নয়, বরং অস্তিত্বের গভীরে লুকিয়ে থাকা আতঙ্কের দলিল। এই বইয়ে আছে, এক আত্মহত্যাকারীর পুনর্জন্মের পূর্বে ‘গর্ভগৃহ’-এ প্রায়শ্চিত্তের তীব্র যন্ত্রণা। আছে পুরোনো অভিশাপের ধাক্কায় জন্ম নেওয়া এক অস্বাভাবিক, চিবিয়ে খাওয়ার মতো ‘খিদে’ (‘খিদে পেয়েছে?’)। আর যখন আপনার চোখের সামনে সময় ও বাস্তবতার ছন্দ উল্টে যায়, আর আপনি দেখেন এক অদৃশ্য সত্তা আপনার অস্তিত্বকে গিলে খাচ্ছে (‘ভ্রম নয়’)- তখন প্রতিটি গল্পই বাস্তব ও পরাবাস্তবের সীমানাকে মুছে দিয়ে প্রমাণ করে: আমাদের মনের গভীরে যে ভয় লুকিয়ে থাকে, তা কোনো ‘ভ্রম’ নয়, তা এক চরম সত্য।

    272.00340.00
  • আট পাপে বাঁধা AAT PAPE BANDHA

    কার হাতের আঙুলে আছে যেকোনও কিছু ফলানোর জাদু? পিঁপড়ের সর্বগ্রাসী আক্রমণ সামলাতে পারবে কি এক বুড়ো? বাঁদর দেবতার মূর্তি কে চায় চুরি করতে? আর শিকারী কে শিকার করতে চায় কোন সে দুঃসাহসী? পরকীয়া কি সব সময় সর্বনাশ ডেকে আনে? এইসব প্রশ্নের উত্তর দেবে আট পাপে বাঁধা।

    256.00320.00
  • DUI KRISHNA O EKTI MAHABHARAT দুই কৃষ্ণ ও একটি মহাভারত

    মহাভারত– যেখানে এসে মিলেছে এই ভারতভূমির সব পথ – ধর্ম, রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষানীতি, অর্থনীতি, মূল্যবোধ, নীতিজ্ঞান, জীবনদর্শন, প্রেম, অপ্রেম, বিষাদ, অসূয়া, শত্রুতা, প্রতিষ্ঠা সব-সব নিয়ে এ সর্বার্থেই মহাকাব্য। ভারতআত্মা ঘিরে বহুস্তরীয় এক বৃত্তাকার পরিভ্রমণ। যে বৃত্তের কেন্দ্রে রয়েছেন অখণ্ড ব্রহ্ম পুরুষোত্তম বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ আর প্রান্তসীমা বরাবর হেঁটে চলেছেন বহুদর্শী এই ভারতকথার কথক পরাশর ও সত্যবতীর পুত্র শ্রীকৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস। তাঁদের দুজনের যৌথ আয়োজনে রচিত হয়েছে অমৃতসমান জয়সংহিতা বা মহাভারত।

    208.00260.00
  • HIYAR DOSH KAHAN হিয়ার দশ কাহন

    প্রত্যেকটি গল্প জীবন থেকে নেওয়া, চেনা কুশীলব, চেনা মঞ্চ, চেনা সব । কিন্তু সব চেনা বোধহয় চেনা হয় না। গল্পের মধ্যে অন্য গল্প লুকিয়ে থাকে, বাস্তব কখন অজান্তে পরাবাস্তব ছুঁয়ে বসে সে কথা গল্পের কুশীলবও জানেনা, হিয়া বলেছে সেই সব গল্প ।

    এই চেনা ছকের অচেনা অ-পরাবাস্তবে পাঠক পাঠিকাকে স্বাগতম। যে মানুষ বা ‘না মানুষকে’ আমরা চিনেও চিনি না, যে ঘটনা নিয়ত চোখের সামনে ঘটে চলেছে, এই বিচিত্র নাটমঞ্চে মানুষের অন্তরাত্মা নিজের অজান্তে যে অদ্ভুত গল্পগুলো লিখে চলেছে নিশ্বাস প্রশ্বাসে, মুহূর্তগুলোর ভাঁজে ভাঁজে, হিয়া সেই অসম্ভবের কল্পকথার গল্পকথাকে একান্ত যতনে তুলে এনেছে পাঠকের দরবারে, দশটি মননের সিলুয়েট দিয়ে সাজানো কোলাজে। তাই সেই সব গল্প শুরু করলে শেষ না দেখে থামা যাবে বলে মনে হয় না – এই ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ টুকু রইল পাঠক পাঠিকার জন্য হিয়ার তরফ থেকে !

    শেষ পাতা পড়েও যার রেশ থেকে যায়—এ এক অনুরণনময় গল্পসংকলন।

    240.00300.00
  • TUMI JEKHANEI JAO তুমি যেখানেই যাও

    01
    সব গল্পই ভালোবাসার গল্প। আর ভালোবাসায় পূর্ণতা অধরা বলেই তারা গহীন বিষণ্ণতার গল্প।
    কোনও চোখ-ধাঁধানো আবহে নয়, দৈনন্দিন যাপনের আনাচে-কানাচে, অযত্নে অবহেলায় থাকে যে ভালোবাসা, তাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে কাহিনি।
    এই গল্পগুলিতে কোথাও রয়েছে পুরুষের একাকিত্বতা বা অপারগতা, আবার কোথাও রয়েছে নারীর বিপন্নতা বা নিজস্ব ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা, যাকে ভার্জিনিয়া উলফ বলেছেন, ‘আ রুম অব ওয়ান’স ওন’।
    প্রত্যেকের জীবনেই একটা নদী হয়ে ওঠার গল্প থাকে। পাঠক যদি গল্পগুলিতে সেই নদীর সন্ধান পান, সেই হবে লেখকের পুরস্কার।
    216.00270.00
  • KASTURI কস্তুরী

    “Perfume plays a great role in Memories…” শুধু কি স্মৃতিতেই? স্মৃতি মানেই কি অতীত? বর্তমান আসলে কী? গন্ধ কি শুধু কোনও মানুষকেই মনে করায়? মুহূর্ত কী? সময় কি পারে ঔষধি খুঁজে আনতে? ওষুধ পারে ক্ষত সারাতে? ক্ষত সারলেও কি আঘাত ভোলা যায়? অতীত মানেই কি অন্ধকার? অন্ধকার মানেই কি কালো? আলোর কি কোনও চরিত্র আছে? চরিত্রহীনের চরিত্র কী? সাদার কি নিজস্ব কোনও রং আছে?
    তাকায় তো সবাই– দেখে ক’জন? এত কথা, এত শব্দ– শুনল ক’জন? স্পর্শ করলেও, ছুঁতে পারে ক’জন? রক্ত মাংসের এত শরীর– মানুষ হয় ক’জন?
    112.00140.00
  • BRITTYO বৃত্ত

    05
    ‘বৃত্ত’ উপন্যাসটি ভালোবাসার জয়গাথা। তাই শুরু থেকে শেষ, জীবনরসেই জারিত হয়েছে উপন্যাসটির এক একটি চরিত্র। মূলত তিন প্রজন্মের জীবন নামের ব্যালান্স শিট-টাকে মেলানোর খতিয়ানই এই ‘বৃত্ত’ উপন্যাস। শুধু কাহিনির পটবিন্যাসে উপন্যাসটির চরিত্রগুলো কখনও আবর্তিত হয়েছে ইংল্যান্ডে, কখনও কলকাতায়, কখনও-বা ঘাটশিলায়।
    ‘জীবন’ বলতে সব স্তরের মানুষের জীবনের কথাই বুনেছে ‘বৃত্ত’। সেই জীবনে একদিকে যেমন রয়েছে প্রতিদিনের চাওয়া-পাওয়া, লোভ, নীচতা; আবার তার ঠিক উলটো পিঠে সেই জীবনেই এসে মিশেছে নিখাদ প্রেম।
    চিরায়ত সেই প্রেমকে জিতিয়ে দিতে উপন্যাসের চরিত্রগুলো তাই কখনও ব্যক্তিস্বার্থে, কখনও-বা ত্যাগে, তিতিক্ষায় নিজেদের বারংবার ভেঙেছে; আবার ভাঙনের মুখে অস্তিত্বের শেষতম খড়কুটোকে আঁকড়ে নিজেদের আগলেছে, ভাঙা জীবনটাকে আবার গড়ে নিয়েছে পরম মমতায়। অনুভূতির নানান রংমিলান্তি খেলায় জীবনের সামনে অনাবিলভাবে শুধু জীবন-ই এসে দাঁড়িয়েছে এই ‘বৃত্ত’ উপন্যাসে। তাই মনের এই সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম খণ্ডিত মুখগুলোই উপন্যাসটির এক একটা অক্ষর, এক একটা শব্দ। এই শব্দগুলোই উপন্যাসটির পাতায় পাতায় একে একে হয়ে উঠেছে নানা রং-এর সুতো। আর, সেই সুতো দিয়েই নিপুণভাবে বোনা হয়েছে ‘জীবন’ নামের উষ্ণ চাদরটি— যা পাঠককে ‘ওম’ দেয়; ‘জীবন’ শব্দটির প্রতি কিছুতেই হতাশ হতে দেয় না।
    312.00390.00

    BRITTYO বৃত্ত

    312.00390.00

Main Menu