• অবিনাশ ABINASH

    অবিনাশ যার কোন বিনাশ নাই। বলেছিলেন অবিনাশেরই স্কুলের কোন এক শিক্ষক।

    মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছা প্রবল। সে ধনী আর বিত্তবানই হোক আর সহায় সম্বলহীন দরিদ্রই হোক। অতিমাত্রায় বিধ্বস্ত না হলে কোন মানুষই এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে অকালে চলে যেতে চায় না।

    রঙ মেখে নিজের খারাপ দিকটা আড়াল করার চেষ্টা করে যায়। অবিনাশের উপলব্ধি প্রতিটি মানুষের ভিতরই দুটো রঙ থাকে। সাদা আর কালো। যেখানে সাদার আধিক্য সেখানে সামাজিক জীবন যুগের হয়। যেখানে কালো রঙের প্রাবল্য সেই সমাজে হিংসা, রেষারেষি। আরও অনেক কিছু যেটা নাকি মানুষের স্বাভাবিক আর সুস্থভাবে বেঁচে থাকার ইন্ধন যোগায় না। অসামাজিক পরিবেশের জন্ম দেয়। সমাজে অসামাজিক কাজের পরিবেশ আমরাই গড়তে সাহায্য করি। শুধু নিজের সুখ আর নিজের স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। ডুবে যায় সুস্থ সামাজিকতা। অবিনাশের উপলব্ধি এইটাই।

    260.00 182.00

    অবিনাশ ABINASH

    260.00 182.00
  • আট পাপে বাঁধা AAT PAPE BANDHA

    কার হাতের আঙুলে আছে যেকোনও কিছু ফলানোর জাদু? পিঁপড়ের সর্বগ্রাসী আক্রমণ সামলাতে পারবে কি এক বুড়ো? বাঁদর দেবতার মূর্তি কে চায় চুরি করতে? আর শিকারী কে শিকার করতে চায় কোন সে দুঃসাহসী? পরকীয়া কি সব সময় সর্বনাশ ডেকে আনে? এইসব প্রশ্নের উত্তর দেবে আট পাপে বাঁধা।

    320.00 224.00
  • চতুরঙ্গ CHOTURANGA

    চারটি জঁরের চারটি পৃথক স্বাদের কাহিনী নিয়ে ‘চতুরঙ্গ’, এই সংকলনের চারটি কাহিনী হল – চতুরঙ্গ, পূর্ণ বৃত্ত, তিন তিরিক্ষে নয় এবং দুই কন্যার কাহিনী। ‘চতুরঙ্গ’ একটি থ্রিলার ছোটগল্প, ‘পূর্ণ বৃত্ত’ একটি অলৌকিক বড়গল্প, ‘তিন তিরিক্ষে নয়’ কলকাতাকে সাক্ষী রেখে ঘটা তিন যুগের তিনটে পৃথক ঘটনার একসূত্রে গাঁথা পড়ার কাহিনী আর ‘দুই কন্যার কাহিনী’ একটি রহস্য উপন্যাসিকা, মনুষ্যত্বের অদ্ভুত অধঃপতন কিভাবে অপরাধীদের জন্ম দেয় উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যেও সেটাই খুঁজে পাওয়ার কাহিনী।

     

    280.00 196.00

    চতুরঙ্গ CHOTURANGA

    280.00 196.00
  • থ্রিলিং থ্রি THRILLING THREE

    সম্পত্তি পেতে গিয়ে অন্য জগতে ঢুকে পড়ে অনাথ আশ্রম থেকে বড় হওয়া আন্দ্রেয়াকি। ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের অরিন্দমের সঙ্গে অতিন্দ্রীয় জগতের সম্পর্কই বা কী? স্লাভ ম্যাসিডোনীয় সাম্রাজ্যে খোদ গ্রিসের বুকে কীভাবে টাইমস্কেলের এক আজব জগতে ঢুকে পরাবাস্তবের আত্মাদের প্রত্যক্ষ করে ওরা আর সল্‌ভ করে মার্ডার মিষ্ট্রি।

    আফগানিস্তানের মিউজিয়ামের ৭৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের বাদখশানের আসল লাপিজ লাজুলির আর্টিফ্যাক্ট পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারবে শিবম আর শ্রেয়ান?

    দৌড়োতে দৌড়োতে ঝিল্লি পেছনে ফিরে ফিরে দেখছিল বারবার। লোকটা তাড়া করে আসছে, ঝিল্লি বুঝতে পারল আর বেশিক্ষণ ও পারবে না খালি পায়ে দৌড়োতে, লোকটা ধেয়ে আসছে তীব্র বেগে, এসে গেছে লোকটা প্রায় নাগালের মধ্যেই, জ্যাকেটের ভেতরের পকেট থেকে তুলে নিয়ে এল চিলি স্প্রে—টা’। ঝিল্লি কি পারবে গৌড়েশ্বরের হেঁয়ালি ভেদ করে গুপ্তধন খুঁজে বের করতে?

     

    220.00 154.00
  • দাবাড়ু DABARU

    একটি ব্যান্ড শো।
    একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু।
    আর তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকা এক গভীর রহস্য।
    গোলাপবাগের এক সঙ্গীতানুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি আকস্মিক মৃত্যুই বদলে দেয় সবকিছু। যা প্রথমে দুর্ঘটনা বলে মনে হয়, ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় এক জটিল ষড়যন্ত্রে। সূত্রের পর সূত্র জুড়ে এগোতে থাকে তদন্ত—ব্যান্ড মিউজিক, ব্যক্তিগত লোভ, অতীতের ক্ষত আর নিঃশব্দ অপরাধের ভেতর দিয়ে।
    এই রহস্যের কেন্দ্রে সাম্য—যার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা সাধারণ নয়। প্রশ্নের ভাঁজে, নীরবতার ফাঁকে আর মানুষের মুখের অভিব্যক্তিতে সে খুঁজে পায় এমন সব সত্য, যা চোখের সামনে থেকেও অদৃশ্য থেকে যায়।
    দাবাড়ু কেবল একটি গোয়েন্দা কাহিনি নয়—এ এক মনস্তাত্ত্বিক দাবার খেলা, যেখানে প্রতিটি চরিত্রই একেকটি চাল, আর শেষ চালটি পড়ে একেবারে শেষ পাতায়। যে পাতায় পৌঁছনোর আগে আপনি বইটি নামাতে পারবেন না।

    300.00 210.00

    দাবাড়ু DABARU

    300.00 210.00
  • বাসুক বৃষ্টি ভালো BASUK BRISHTI BHALO

    বছর পঁচিশ আগে যে লেখালেখির শুরু তার মধ্যে ছিল খানিক ভালোলাগা আর অনেকটাই আবেগ। আজ মধ্য বয়সে পৌঁছেও সেই আবেগে ভাঁটা না পড়লেও পলি জমেছে খানিক। জীবন তার নিজের ছন্দে এগিয়েছে। নানা টালমাটাল পথে হাজারও অভিজ্ঞতা, অভিমান, হাসি-কান্না, বঞ্চনা, অপমান সবই একের পর এক ঝিনুকের মত শুধু কুড়িয়ে গেছি অনুভবের চাদরে। সেই অনুভব নিজের মতো করে এলোমেলো লিপিবদ্ধ হয়েছে কাগজে। সেই অনুভবের ছোটো ছোটো কয়েকটা টুকরো দু-মলাটের মাঝে গাঁথার ফসল হল ‘বাসুক বৃষ্টি ভালো’।

    150.00 105.00
  • বিরান BIRAN

    কবিতার সপ্তকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবার পর অষ্টমে এসে নৌকা যখন এসে দাঁড়াল, ফুরফুরে বাতাস তখন খানিকটা স্মিত, অষ্টমীর পুজো ভোরের মতন স্নিগ্ধ, গভীর রাতের প্রাচীন আকাশ থেকে নেমে এল এক বিরান প্রান্তর, অসহায় অবহেলায় পরিত্যক্ত বিরান, তবুও যেন কেমন প্রাণবন্ত সে, বেশ ওলোটপালোট তবুও গোছানো, নিজে জ্বলছে পুড়ছে আর সে আলোয় আলোকিত করছে চারপাশ, আসলে এ-ই আমার অভিপ্রায়, বিরান আলোকিত করুক, ছুঁয়ে যাক ওঁর বই.

    200.00 140.00

    বিরান BIRAN

    200.00 140.00
  • বিষাদ রঙের কাগজফুল ইত্যাদি BISHAD RONGER KAGOJPHOOL ITYADI

    রোদ ঝিকিমিকি একটা দিন অথবা চরাচর ভেসে যাওয়া চাঁদের আলো— এমতাবস্থায় বিষাদগ্রস্ত মন সম্ভবত খুব বেমানান। কিন্তু বিষাদ কি জানে, পৃথিবীর কোনপ্রান্তে, কখন কার মনের ভেতর মুহুর্তে উথালপাথাল হয়ে যাবে সব? জানেনা বোধ করি। তেমনই জানেনা মানুষের মনে কাগজফুলের রঙের মতো অত্যাশ্চর্য সুন্দরকে বিষাদের দোসর ভাবার ইচ্ছে কলকাঠি নাড়ে যেকোনো শর্তে।
    বিষাদের ধুলো-ধোঁয়া-কুয়াশার পরত সরিয়ে জানলা দিয়ে বেয়ে আসে কাগজফুলের ডাল। সেই ‘যেকোনো’ সময়কে আমরা একটি মুহুর্ত হিসেবে মনে রাখতে চাই, লিখে ফেলতে চাই সেই ক্ষণটুকুর ঐশ্বরিক অস্তিত্ব, আমাদের মনের ভেতরের ঝড় থেকে নিশ্চুপ চেয়ে থাকা— অমরত্ব দিতে চাই এই প্রত্যেকটি ঘটনাকে। এই চাওয়া থেকে জন্ম হয় একটি কবিতার, অথবা এই ইচ্ছেগুলোই একটা কবিতার ক্রমাঙ্ক অনুসরণ করে আলোর মতো। বিষাদ আমাদের কাছে হয়ে ওঠে আলোর কাঠি, সয়ে নিই, অভ্যাসে রেখে দিই… এবং একসময় বুঝে যাই বিষাদের আঁধার সত্যিই কাগজফুলের রঙের মতোই উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। এটুকুই।

    200.00 140.00
  • সব চরিত্র বৈবাহিক SOB CHORITRO BOIBAHIK

    ভালোবাসার পর বিয়ে হোক বা বিয়ের পরে ভালোবাসা…দুইরকম ক্ষেত্রেই ভালবাসা ও বিয়ে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবেই মানুষ ভেবে নেয়। অথচ অসংখ্য বিয়ে ভালোবাসার মুখ দেখতে পায় না। আবার বহু মানুষের ভালোবাসাও বিয়েতে রূপান্তরিত হতে পারে না।

    বহু ক্ষেত্রে দুই পরিবার, দুজন মানুষ বিয়েতে সম্মতি দিলেও ঠিক কোনওভাবে শেষ অবধি সেই বিয়ে আর হ​য়ে ওঠে না। এতে কার দোষ? কখনও ছেলের দোষ, কখনও মেয়ের, কখনও তাদের পরিবারের, কখনও-বা সমাজের, কখনও বা ঘটনাপ্রবাহ এবং সময়ের।

    এমনই বিয়ে ঠিক হওয়ার পরেও শেষ অবধি বিয়ে হ​য়ে ওঠেনি–এমন ভিন্নস্বাদের বেশ কিছু ছোটগল্প এই বইতে একত্রিত করা হ​য়েছে।

    420.00 294.00
  • সাক্ষ্য দেওয়ার আগে SAKKHO DEOWAR AAGE

    কবিরা আসলে কে? তারা যখন কবিতা লেখে তখন কি আসলে জনতার আদালতে দাঁড়ায়? হাজার হাজার চেনা-অচেনা মুখের সামনে দাঁড়িয়ে সত্য কথা বলাই কি তার কর্তব্য? সে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সাক্ষী। সে যা দেখেছে, যা শুনেছে তা বিবৃত করবে। সত্যকে মেলে ধরবে, যে সত্যকে আমরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে এড়িয়ে যেতে চাই একটুখানি সুখের জন্য। কিন্তু সত্য, তা সে যতই তীব্র হোক, যতই বিস্বাদ হোক, আমাদের পিছু ছাড়ে না। আমরা সত্যকে অস্বীকার করতে পারি, কিন্তু ত্যাগ করতে পারি না। এই অমোঘ জাল থেকে জীবদ্দশায় মুক্তির কোনো পথ নেই। We have to accept and deal with the Truth. At least to breathe and survive. কিন্তু কীভাবে? তাকে সম্যক জানার মাধ্যমে, চেনার মধ্য দিয়ে। সেই চেষ্টাই করেছি মাত্র এই বইটিতে। পাঁচটা মাত্র লাইন। কিন্তু সেই পাঁচটা লাইনই একটা আয়নার মতো আমাদের সামনে। আমরা কি চিনতে পারব সেই অন্তর্নিহিত, চিরন্তন সত্যকে, যাতে জীবনটা একটুখানি সহজ হয়?

    220.00 154.00

Main Menu